বুধবার অনুষ্ঠিত কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে আলোচিত প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করা হয়। চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (EPS) হয়েছে ৭৫ পয়সা। গত বছর একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৭৭ পয়সা।
মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ: চলতি হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে (০.৬৪) টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল (০.৬১) টাকা। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসান বেড়েছে ০.০৩ টাকা। ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৫.৬৬ টাকা।
জানা গেছে, সভায় কোম্পানিগুলোর মাঝে ১১টি কোম্পানি গত ৩১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে। পর্যালোচনা শেষে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিগুলো।
অস্বাভাবিক শেয়ারদর বৃদ্ধির কারণ জানে না পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। তাই এই শেয়ারদর বৃদ্ধির আড়ালে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বলে ডিএসইকে জানিয়েছে কোম্পানিটি।
সূত্র মতে, কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ পেয়েছেন অনিরুদ্ধ পিয়াল। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন অনুযায়ী চলতি বছরের ১৩ মে রিং শাইনের এমডি পদে যোগদান করেন।
চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ২৪ পয়সা। গত বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস হয়েছিল ১৭ পয়সা। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি অর্থের প্রবাহ বা ক্যাশ-ফ্লো ছিলো মাইনাস ১ টাকা ৭২ পয়সা, যা আগের বছরে ছিলো মাইনাস ৪৩ পয়সা।